যদি দূর্গা পূজায় ডিজে না থাকতো তাহলে যুবকদের জন্য দূর্গা পূজা নয়।কালী পূজা,মনসা সহ বিভিন্ন পূজায় নির্মম পশুবলি না থাকতো তা কেবল ব্রতীদের জন্য পূজা হত। শিব পূজার নামে গাঁজা খাওয়ার ভন্ডামী না থাকতো তাহলে তাহতো কেবল শৈবদের বা বৈষ্ণবদের ধর্মীয় উৎসব। যেমনটা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর উপবাস হিন্দুদের জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ না,রথযাত্রা, ঝুলনযাত্রা, নৃসিংহ চতুর্দশী,গৌরপূর্ণিমা,গুরুপূর্ণিমা দামোদরব্রতসহ বিভিন্ন মাঙ্গলিক শুভানুষ্ঠান গুলো বৈষ্ণব দের জন্য।ব্রতশ্রেষ্ঠ একাদশী বিধবা মায়েদের জন্য।কারণ এগুলোতে জিহ্বার লালসা বা ইন্দ্রিয় তৃপ্তির কোন সুযোগ নেই।সেগুলো সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক ভাবান্বিত তিথি। অপরদিকে যে তিথিগুলোতে ইন্দ্রিয় তৃপ্তির বা জিহ্বার লালসা মিটানোর কিঞ্চিৎ সুযোগ রয়েছে সেগুলোতে সকলের অংশগ্রহণ অসীম। কিন্তু সনাতন ধর্ম ইন্দ্রিয় তৃপ্তির ধর্ম নয়,সনাতন ধর্ম ইন্দ্রিয় নিগ্রহের ধর্ম।
দূর্গা পূজা